Git ( গিট) কি এবং কিভাবে ব্যবহার করবো

Git হলো একটি ডিস্ট্রিবিউটেড ভার্সন কন্ট্রোল সিস্টেম (DVCS), যা কোড ট্র্যাকিং, ম্যানেজমেন্ট, এবং ডেভেলপমেন্ট সহজ করে।
🔹 এটি ফাইলের পরিবর্তন সংরক্ষণ করে, যাতে ডেভেলপাররা পূর্বের ভার্সনে নিয়ে কাজ করতে পারে।
🔹 GitHub, GitLab, Bitbucket-এর মতো প্ল্যাটফর্ম Git ব্যবহার করে কোড শেয়ার ও সহযোগিতা করতে সাহায্য করে।

কিভাবে ব্যবহার করবো তা আলোচনা করা হলো:-

1.প্রথমে এখান থেকে গিট ডাউনলোড করতে হবে।

2. ডাউনলোড হয়ে গেলে গিটব্যাস ওপেন করতে হবে। ভার্সন চেক করতে হবে।

git -v (For windows)

3. ফোল্ডার তৈরি করার জন্য নীচের কমান্ড টি রান করতে হবে।

mkdir foldername

4.  ফোল্ডার এর ভিতরে যাওয়ার জন্য নীচের কমান্ড টি রান করতে হবে।

cd foldername

5. Git রিপোজিটরি হিসাবে ইনিশিয়ালাইজ (initialize) করতে ব্যবহার করা হয়

git init

6. ফাইল তৈরি করার জন্য নীচের কমান্ডটি রান করতে হবে।

touch file.txt ( ফাইল এর নামসহ এক্সটেনশন দিতে হবে ) ।

7. Git রিপোজিটরির বর্তমান স্ট্যাটাস দেখানোর জন্য ব্যবহৃত হয়

git status

8. ফাইল যোগ করতে এই কমান্ড টি ব্যবহার করা হয়।

git add .

9. কমিট করার সময় ইউজার আইডেন্টিটি সেট করতে  ব্যবহৃত হয়।

git config –global user.email “git mail”

10. Git কমিটের সাথে ইউজারের নাম সংযুক্ত করতে ব্যবহৃত হয় –

git config –global user.name “username”

প্রতিটি কমিটের সাথে ইউজারের নাম ও ইমেইল সংযুক্ত থাকবে।

11. Git-এ পরিবর্তিত ফাইলগুলো সংরক্ষণ (save) করার জন্য ব্যবহৃত হয়।

git commit

12. git log কমান্ডটি Git রিপোজিটরির কমিট হিস্ট্রি দেখার জন্য ব্যবহৃত হয়। এটি দেখায় কোন ইউজার কখন, কী পরিবর্তন করেছে এবং সংশ্লিষ্ট কমিট মেসেজ কী ছিল।

13. পূর্বের কমিট চেকআউট করা মূলত পূর্বের ভার্সন এ যাওয়া যায় বা ভার্সন কন্ট্রোল করা যায়।

git checkout “commit-id”

14. কোনো ফাইল ডিলিট করার জন্য।

git rm filename

 

 

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Scroll to Top